Category: Piles Treatment
Published on 24 Jan, 2026
পাইলস (Piles) বা অর্শ এমন একটি রোগ, যেটা শুরুতে অনেকেই গুরুত্ব দেন না। কিন্তু সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না নিলে এটি ধীরে ধীরে জটিল আকার ধারণ করতে পারে। রোগীদের সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্ন হলো—
“পাইলস কতদিনে ভালো হয়?”
এর উত্তর নির্ভর করে মূলত পাইলসের গ্রেড, চিকিৎসার ধরন এবং রোগীর লাইফস্টাইলের ওপর।
এই ব্লগে বিস্তারিত ও বাস্তবসম্মতভাবে সব ব্যাখ্যা করা হলো।
পাইলস ভালো হওয়ার সময় নির্ভর করে তিনটি বিষয়ের ওপর—
পাইলস কোন গ্রেডের
কোন ধরনের চিকিৎসা নেওয়া হয়েছে
খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন অভ্যাস
মলত্যাগের সময় রক্তপাত
সাধারণত ব্যথা থাকে না
পাইলস বাইরে আসে না
👉 ২–৪ সপ্তাহ
মল নরম করার ওষুধ
আঁশযুক্ত খাবার
পর্যাপ্ত পানি পান
স্থানীয় মলম
✅ এই পর্যায়ে অধিকাংশ রোগী অপারেশন ছাড়াই ভালো হয়ে যায়।
মলত্যাগের সময় পাইলস বাইরে আসে
পরে নিজে নিজেই ভেতরে ঢুকে যায়
রক্তপাত ও অস্বস্তি থাকে
👉 ৪–৬ সপ্তাহ
ওষুধ + লাইফস্টাইল পরিবর্তন
প্রয়োজনে লেজার বা ব্যান্ডিং
⚠️ সময়মতো চিকিৎসা না নিলে গ্রেড ৩ এ রূপ নিতে পারে।
পাইলস বাইরে এসে হাত দিয়ে ঢোকাতে হয়
ব্যথা ও জ্বালা নিয়মিত
রক্তপাত ঘন ঘন
👉 লেজার সার্জারির পর ৭–১০ দিন
❌ শুধুমাত্র ওষুধে এই পর্যায়ে ভালো হওয়া সম্ভব নয়।
পাইলস সবসময় বাইরে থাকে
তীব্র ব্যথা
সংক্রমণ ও রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি
👉 অপারেশনের পর ১০–১৪ দিন
👉 দেরি করলে জটিলতা বাড়ে এবং চিকিৎসা কঠিন হয়।
| চিকিৎসার ধরন | ভালো হতে সময় |
|---|---|
| ওষুধ | ২–৬ সপ্তাহ |
| লেজার চিকিৎসা | ৫–১০ দিন |
| অপারেশন | ১০–১৪ দিন |
চিকিৎসার পাশাপাশি এই অভ্যাসগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ—
দিনে কমপক্ষে ৩ লিটার পানি
শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার
কোষ্ঠকাঠিন্য এড়ানো
দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে না থাকা
নিয়মিত হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম
👉 এগুলো না মানলে পাইলস বারবার ফিরে আসতে পারে।
শুধু খুব প্রাথমিক অবস্থায় এবং অভ্যাস পরিবর্তন করলে।
গ্রেড ১–২ হলে সাধারণত ২–৬ সপ্তাহ।
সাধারণত ২–৩ দিন।
খাবার ও জীবনযাপন ঠিক না রাখলে হতে পারে।