Category: Piles Treatment
Published on 17 May, 2026
পাইলস বা হেমোরয়েড বর্তমানে অত্যন্ত সাধারণ একটি সমস্যা। অনেক মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পাইলসের ব্যথা, জ্বালাপোড়া, রক্তপাত এবং অস্বস্তিতে ভুগে থাকেন। বিশেষ করে মলত্যাগের সময় ব্যথা এবং বসতে কষ্ট হওয়া রোগীদের জন্য খুবই কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে।
অনেকে জানতে চান — “পাইলসের ব্যথা দ্রুত কমানোর সহজ উপায় কী?”
সঠিক চিকিৎসা, খাদ্যাভ্যাস এবং কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করলে অনেক ক্ষেত্রেই পাইলসের ব্যথা অনেকটা কমানো সম্ভব।
পাইলস হলো মলদ্বারের ভেতর বা বাইরের ফুলে যাওয়া শিরা। অতিরিক্ত চাপ, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে এই সমস্যা হতে পারে।
পাইলস সাধারণত দুই ধরনের হয়:
গরম পানিতে ১০–১৫ মিনিট বসে থাকলে পায়ুপথের পেশি শিথিল হয় এবং ব্যথা কমে।
কঠিন মল পাইলসের ব্যথা বাড়িয়ে দেয়। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
খেতে হবে:
অনেকক্ষণ বসে থাকলে পাইলসের উপর চাপ বাড়ে।
মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দিলে ব্যথা ও ফোলা বেড়ে যায়।
টয়লেটে বেশি সময় বসে থাকা থেকেও বিরত থাকুন।
ফুলে যাওয়া বা জ্বালাপোড়া কমাতে ঠান্ডা সেঁক সাহায্য করতে পারে।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু ক্রিম, অয়েন্টমেন্ট বা ওষুধ ব্যবহার করলে ব্যথা কমতে পারে।
তবে দীর্ঘদিন নিজে নিজে ওষুধ ব্যবহার না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
নিচের সমস্যাগুলো থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত:
বর্তমানে আধুনিক লেজার চিকিৎসার মাধ্যমে পাইলসের চিকিৎসা অনেক সহজ হয়েছে।
লেজার চিকিৎসার সুবিধা:
এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়ুন:
চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে:
বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সম্পর্কে জানতে:
প্রফেসর ডা. এএসএম জাহিদুর রহমান
পাইলসের ব্যথা খুবই অস্বস্তিকর হলেও সঠিক যত্ন ও চিকিৎসার মাধ্যমে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
প্রাথমিক অবস্থায় ঘরোয়া পদ্ধতি কাজে দিলেও দীর্ঘদিন সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
গরম পানির সিটজ বাথ, ফাইবারযুক্ত খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করলে উপকার পাওয়া যায়।
হালকা পাইলস অনেক সময় ভালো হয়, তবে দীর্ঘদিন থাকলে চিকিৎসা প্রয়োজন।
ফলমূল, শাকসবজি এবং ফাইবারযুক্ত খাবার ভালো।
হ্যাঁ, এটি ফোলা ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
দীর্ঘদিন ব্যথা, রক্তপাত বা বড় পাইলস হলে অপারেশন লাগতে পারে।
অভিজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে করলে এটি নিরাপদ ও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি।
ব্যথা, রক্তপাত বা ফোলা দীর্ঘদিন থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।