Piles Vs Rectal Prolapse Difference ;
Piles Vs Rectal Prolapse Difference

Piles Vs Rectal Prolapse Difference

Category: Piles Treatment

Published on 24 Sep, 2026

মলদ্বার বেরিয়ে আসা কি পাইলস নাকি রেক্টাল প্রোল্যাপস? পার্থক্য ও চিকিৎসা

মলত্যাগের সময় বা পরে মলদ্বার দিয়ে মাংসের মতো কিছু বেরিয়ে আসলে অনেকেই সেটিকে পাইলস বলে ধরে নেন। কিন্তু সব ক্ষেত্রে এটি পাইলস নয়। একই ধরনের লক্ষণ রেক্টাল প্রোল্যাপস বা মলাশয় নেমে আসার কারণেও হতে পারে।

পাইলস এবং রেক্টাল প্রোল্যাপস দেখতে কিছুটা কাছাকাছি হলেও এগুলোর উৎপত্তি, জটিলতা ও চিকিৎসা এক নয়। তাই শুধু ছবি দেখে বা নিজের লক্ষণ মিলিয়ে রোগ নির্ণয় না করে একজন অভিজ্ঞ সার্জনের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

সূচিপত্র

প্রোল্যাপসড পাইলস কী?

পাইলস বা হেমোরয়েড হলো মলদ্বার ও মলাশয়ের নিচের অংশে থাকা রক্তনালি এবং সহায়ক টিস্যু অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া বা নিচের দিকে নেমে আসা। অভ্যন্তরীণ পাইলস বড় হয়ে মলত্যাগের সময় মলদ্বারের বাইরে বেরিয়ে এলে তাকে প্রোল্যাপসড ইন্টারনাল হেমোরয়েড বলা হয়।

প্রোল্যাপসের মাত্রা অনুযায়ী ইন্টারনাল পাইলস সাধারণত চারটি গ্রেডে ভাগ করা হয়:

  • গ্রেড ১: পাইলস ভেতরে থাকে; সাধারণত বাইরে বের হয় না।
  • গ্রেড ২: মলত্যাগের সময় বের হলেও নিজে থেকেই ভেতরে চলে যায়।
  • গ্রেড ৩: বাইরে এলে হাত দিয়ে ভেতরে ঢোকাতে হয়।
  • গ্রেড ৪: সব সময় বাইরে থাকে এবং সাধারণত সহজে ভেতরে ঢোকানো যায় না।

প্রোল্যাপসড পাইলসের সম্ভাব্য লক্ষণ

  • মলত্যাগের সময় মাংসপিণ্ড বা একাধিক গুটির মতো অংশ বের হওয়া
  • টাটকা লাল রক্তপাত
  • মলদ্বারে চুলকানি, অস্বস্তি বা ভেজা অনুভূতি
  • শ্লেষ্মা বা মিউকাস বের হওয়া
  • মলত্যাগ সম্পূর্ণ হয়নি—এমন অনুভূতি
  • বাইরে আটকে গেলে ব্যথা ও ফোলা

রেক্টাল প্রোল্যাপস কী?

রেক্টাল প্রোল্যাপস হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে বৃহদান্ত্রের শেষ অংশ অর্থাৎ রেক্টাম তার স্বাভাবিক অবস্থান থেকে নেমে মলদ্বার দিয়ে আংশিক বা সম্পূর্ণ বাইরে চলে আসে

এটি শুধু ফুলে যাওয়া রক্তনালি নয়; এখানে মলাশয়ের দেয়ালের একটি অংশ বা পুরো স্তর নিচের দিকে নেমে আসে। শুরুতে কেবল মলত্যাগের সময় দেখা গেলেও রোগটি বাড়লে কাশি, হাঁটা, দাঁড়ানো অথবা সামান্য চাপেও বেরিয়ে আসতে পারে।

রেক্টাল প্রোল্যাপসের ধরন

  • ফুল-থিকনেস রেক্টাল প্রোল্যাপস: রেক্টামের দেয়ালের পুরো স্তর বাইরে আসে।
  • মিউকোসাল প্রোল্যাপস: শুধু রেক্টামের ভেতরের আবরণ নিচে নেমে আসে।
  • ইন্টারনাল ইনটাসাসসেপশন: রেক্টাম ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়, কিন্তু বাইরে নাও আসতে পারে।

পাইলস ও রেক্টাল প্রোল্যাপসের পার্থক্য

পার্থক্যের বিষয় প্রোল্যাপসড পাইলস রেক্টাল প্রোল্যাপস
কোন টিস্যু বের হয়? ফুলে যাওয়া হেমোরয়েডাল টিস্যু রেক্টাম বা মলাশয়ের দেয়াল
দেখতে কেমন হতে পারে? এক বা একাধিক পৃথক গুটি বা খণ্ডের মতো সাধারণত গোলাকার অংশ এবং বৃত্তাকার ভাঁজ দেখা যেতে পারে
রক্তপাত টাটকা লাল রক্তপাত তুলনামূলকভাবে পরিচিত লক্ষণ ঘর্ষণ বা ক্ষত হলে রক্তপাত হতে পারে
মিউকাস হতে পারে প্রায়ই মিউকাস বা ভেজাভাব হতে পারে
মল ধরে রাখার সমস্যা সাধারণত প্রধান লক্ষণ নয় মল বা গ্যাস ধরে রাখতে অসুবিধা হতে পারে
কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্পর্ক দীর্ঘদিন চাপ দিয়ে মলত্যাগ করলে ঝুঁকি বাড়তে পারে দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য ও অতিরিক্ত চাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে
মূল চিকিৎসা গ্রেড ও উপসর্গ অনুযায়ী জীবনযাপন পরিবর্তন, অফিস প্রক্রিয়া বা সার্জারি প্রাপ্তবয়স্কদের পূর্ণাঙ্গ রেক্টাল প্রোল্যাপসে সাধারণত সার্জিক্যাল চিকিৎসা লাগে

গুরুত্বপূর্ণ: উপরের বৈশিষ্ট্যগুলো শুধু সাধারণ ধারণা দেয়। বাইরে আসা অংশ দেখে নিজে রোগ নির্ণয় করা নিরাপদ নয়। মিউকোসাল প্রোল্যাপস, পাইলস এবং পূর্ণাঙ্গ রেক্টাল প্রোল্যাপসের চেহারায় মিল থাকতে পারে।

কোন লক্ষণে কোনটি সন্দেহ করা হয়?

পাইলসের দিকে ইঙ্গিত করতে পারে

  • ব্যথা ছাড়া টাটকা লাল রক্তপাত
  • মলত্যাগের সময় পৃথক গুটির মতো অংশ বের হওয়া
  • মলদ্বারে চুলকানি বা জ্বালাপোড়া
  • মলত্যাগ শেষে গুটি নিজে থেকে ভেতরে চলে যাওয়া

রেক্টাল প্রোল্যাপসের দিকে ইঙ্গিত করতে পারে

  • বৃত্তাকার বা নলের মতো টিস্যু মলদ্বার দিয়ে বেরিয়ে আসা
  • মল বা গ্যাস ধরে রাখতে অসুবিধা
  • মলত্যাগ সম্পূর্ণ না হওয়ার অনুভূতি
  • মলদ্বার থেকে ঘন ঘন মিউকাস বের হওয়া
  • হাঁটা, কাশি বা দাঁড়ানোর সময়ও অংশটি বেরিয়ে আসা
  • বেরিয়ে আসা অংশ হাত দিয়ে ভেতরে ঢোকাতে হওয়া

পাইলস ও রেক্টাল প্রোল্যাপসের কারণ কী?

পাইলসের সম্ভাব্য কারণ ও ঝুঁকির বিষয়

  • দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য
  • মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া
  • দীর্ঘ সময় টয়লেটে বসে থাকা
  • আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া
  • দীর্ঘদিন ডায়রিয়া
  • গর্ভাবস্থা
  • বয়সের সঙ্গে সহায়ক টিস্যু দুর্বল হওয়া

রেক্টাল প্রোল্যাপসের সম্ভাব্য কারণ ও ঝুঁকির বিষয়

  • দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য ও অতিরিক্ত চাপ
  • পেলভিক ফ্লোরের পেশি ও সহায়ক টিস্যুর দুর্বলতা
  • বয়সজনিত পরিবর্তন
  • আগের প্রসবজনিত পেলভিক ফ্লোরের ক্ষতি
  • কিছু স্নায়বিক বা মেরুদণ্ডের সমস্যা
  • দীর্ঘদিন মলত্যাগজনিত অসুবিধা

কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?

পাইলস নাকি রেক্টাল প্রোল্যাপস—সেটি নিশ্চিত করতে রোগীর উপসর্গের ইতিহাস এবং সরাসরি শারীরিক পরীক্ষা প্রয়োজন। চিকিৎসক প্রয়োজনে রোগীকে চাপ দেওয়ার মতো অবস্থায় পরীক্ষা করতে পারেন, যাতে বাইরে আসা অংশটি সঠিকভাবে দেখা যায়।

রোগীভেদে নিচের পরীক্ষাগুলো প্রয়োজন হতে পারে:

  • মলদ্বার ও আশপাশের অংশ পরীক্ষা
  • ডিজিটাল রেক্টাল এক্সামিনেশন
  • অ্যানোস্কোপি বা প্রোক্টোস্কোপি
  • কোলোনোস্কোপি
  • ডিফেকোগ্রাফি
  • অ্যানোরেক্টাল ম্যানোমেট্রি
  • কোলনিক ট্রানজিট স্টাডি

সব রোগীর সব পরীক্ষা লাগে না। রোগীর বয়স, রক্তপাত, কোষ্ঠকাঠিন্য, মল ধরে রাখার ক্ষমতা এবং অন্যান্য উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্বাচন করেন।

পাইলস ও রেক্টাল প্রোল্যাপসের চিকিৎসা

প্রোল্যাপসড পাইলসের চিকিৎসা

পাইলসের চিকিৎসা নির্ভর করে এর গ্রেড, রক্তপাত, ব্যথা, প্রোল্যাপসের মাত্রা এবং রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর।

প্রাথমিক ব্যবস্থাপনা

  • আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া
  • পর্যাপ্ত পানি পান করা
  • কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণ করা
  • মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ না দেওয়া
  • টয়লেটে দীর্ঘ সময় বসে না থাকা
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহার করা

প্রয়োজনে ব্যবহৃত চিকিৎসাপদ্ধতি

  • রাবার ব্যান্ড লাইগেশন
  • ইনজেকশন স্ক্লেরোথেরাপি
  • ইনফ্রারেড কোয়াগুলেশন
  • নির্বাচিত ক্ষেত্রে লেজারভিত্তিক চিকিৎসা
  • হেমোরয়েডেকটমি বা অন্যান্য সার্জিক্যাল পদ্ধতি

লেজারসহ কোনো একটি পদ্ধতি সব রোগীর জন্য উপযুক্ত নয়। পরীক্ষা করার পর পাইলসের গ্রেড ও উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসক উপযুক্ত পদ্ধতি নির্ধারণ করেন।

রেক্টাল প্রোল্যাপসের চিকিৎসা

কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণ, আঁশ ও পানি গ্রহণ এবং মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তন উপসর্গ কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের পূর্ণাঙ্গ রেক্টাল প্রোল্যাপস সাধারণত শুধু ওষুধে সম্পূর্ণ ঠিক হয় না। এ ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে।

রেক্টাল প্রোল্যাপসের সার্জারি প্রধানত দুইভাবে করা হয়:

  • অ্যাবডোমিনাল পদ্ধতি: পেটের মাধ্যমে রেক্টামকে তার স্বাভাবিক অবস্থানে স্থাপন করা হয়। নির্বাচিত রোগীর ক্ষেত্রে ল্যাপারোস্কোপিক বা রোবোটিক রেক্টোপেক্সি করা যেতে পারে।
  • পেরিনিয়াল পদ্ধতি: মলদ্বারের দিক দিয়ে অপারেশন করা হয়। রোগীর বয়স, শারীরিক সক্ষমতা ও প্রোল্যাপসের ধরন অনুযায়ী এই পদ্ধতি নির্বাচন করা হতে পারে।

কোন পদ্ধতি উপযুক্ত হবে তা রোগীর বয়স, অন্যান্য রোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, মল ধরে রাখার ক্ষমতা এবং প্রোল্যাপসের আকার বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে?

নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন:

  • বাইরে আসা অংশ ভেতরে ঢুকছে না
  • টিস্যুর রং গাঢ় লাল, বেগুনি, কালচে বা অস্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে
  • হঠাৎ তীব্র ব্যথা ও ফোলা
  • অতিরিক্ত বা বন্ধ না হওয়া রক্তপাত
  • মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা অজ্ঞান হওয়ার অনুভূতি
  • জ্বর, পুঁজ বা সংক্রমণের লক্ষণ
  • পেটব্যথা, বমি অথবা পেট ফুলে যাওয়া

মলদ্বার বেরিয়ে আসা প্রতিরোধে কী করবেন?

  • প্রতিদিন পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত খাবার খান
  • শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করুন
  • নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করুন
  • মলত্যাগের বেগ চেপে রাখবেন না
  • অতিরিক্ত চাপ দিয়ে মলত্যাগ করবেন না
  • টয়লেটে মোবাইল নিয়ে দীর্ঘ সময় বসে থাকবেন না
  • দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার চিকিৎসা নিন

মলদ্বার দিয়ে কিছু বেরিয়ে এলে অবহেলা করবেন না

মলদ্বার দিয়ে মাংস বা টিস্যু বেরিয়ে আসা পাইলস, মিউকোসাল প্রোল্যাপস অথবা পূর্ণাঙ্গ রেক্টাল প্রোল্যাপসের লক্ষণ হতে পারে। সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়া চিকিৎসা শুরু করলে মূল সমস্যাটি থেকে যেতে পারে।

Primitive Health Care-এ পাইলস, ফিশার, ফিস্টুলা ও অন্যান্য কোলোরেক্টাল সমস্যার মূল্যায়ন এবং চিকিৎসা সম্পর্কে পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন।

পাইলস চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানুন

অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 01342-984861, 01761-851064

পাইলস ও রেক্টাল প্রোল্যাপস সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন

মলত্যাগের সময় মাংস বের হলে কি নিশ্চিতভাবে পাইলস?

না। প্রোল্যাপসড পাইলস ছাড়াও মিউকোসাল প্রোল্যাপস বা রেক্টাল প্রোল্যাপসের কারণে এমন হতে পারে। শারীরিক পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত রোগ নির্ণয় করা যায় না।

পাইলস ও রেক্টাল প্রোল্যাপস কি একই রোগ?

না। পাইলসে হেমোরয়েডাল টিস্যু ফুলে বা নিচে নেমে আসে। রেক্টাল প্রোল্যাপসে রেক্টামের দেয়াল তার স্বাভাবিক অবস্থান থেকে নেমে আসে।

রেক্টাল প্রোল্যাপস কি নিজে থেকে ভালো হয়ে যায়?

প্রাপ্তবয়স্কদের পূর্ণাঙ্গ রেক্টাল প্রোল্যাপস সাধারণত নিজে থেকে সম্পূর্ণ ভালো হয় না। কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণে উপসর্গ কমতে পারে, কিন্তু মূল প্রোল্যাপস ঠিক করতে সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে।

পাইলস হলে কি সব সময় রক্তপাত হয়?

না। পাইলসের ক্ষেত্রে রক্তপাত, প্রোল্যাপস, চুলকানি বা অস্বস্তি হতে পারে, আবার কোনো রোগীর সব লক্ষণ একসঙ্গে নাও থাকতে পারে।

রেক্টাল প্রোল্যাপসে কি মল ধরে রাখতে সমস্যা হয়?

হতে পারে। দীর্ঘদিনের প্রোল্যাপস মলদ্বারের স্ফিংকটার পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে মল বা গ্যাস ধরে রাখতে অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে।

বাইরে আসা অংশ হাত দিয়ে ভেতরে ঢোকানো নিরাপদ কি?

জোর করে ঢোকানোর চেষ্টা করা উচিত নয়। অংশটি ভেতরে না গেলে, তীব্র ব্যথা হলে বা রং পরিবর্তন করলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

রেক্টাল প্রোল্যাপস কি ক্যান্সার?

রেক্টাল প্রোল্যাপস নিজে ক্যান্সার নয়। তবে রক্তপাত বা মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তনের অন্য কারণও থাকতে পারে। তাই প্রয়োজনে চিকিৎসক কোলোনোস্কোপিসহ অতিরিক্ত পরীক্ষা দিতে পারেন।

লেজার চিকিৎসায় কি রেক্টাল প্রোল্যাপস ভালো হয়?

রেক্টাল প্রোল্যাপস এবং পাইলস এক রোগ নয়। পাইলসের কিছু নির্বাচিত ক্ষেত্রে লেজারভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবহার করা হলেও পূর্ণাঙ্গ রেক্টাল প্রোল্যাপসের চিকিৎসা সাধারণত ভিন্ন ধরনের সার্জারির মাধ্যমে করা হয়।

চিকিৎসা-সংক্রান্ত সতর্কতা: এই লেখাটি সাধারণ স্বাস্থ্যশিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি ব্যক্তিগত রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসকের সরাসরি পরামর্শের বিকল্প নয়।

তথ্যসূত্র

← Back to Blogs