Rectal Hemorrhoids Piles Causes Symptomsty types Treatment ;
Rectal Hemorrhoids Piles Causes Symptomsty types Treatment

Rectal Hemorrhoids Piles Causes Symptomsty types Treatment

Category: Piles Treatment

Published on 12 Sep, 2026

রেক্টাল হেমোরয়েডস বা পাইলস কী? কারণ, লক্ষণ, ধরন ও আধুনিক চিকিৎসা

রেক্টাল হেমোরয়েডস বা পাইলস হলো মলদ্বার ও মলাশয়ের নিচের অংশের শিরা এবং আশপাশের সহায়ক টিস্যু ফুলে যাওয়ার একটি সাধারণ সমস্যা। বাংলায় এটি অর্শ নামেও পরিচিত। পাইলস হলে মলত্যাগের সময় রক্তপাত, ব্যথা, চুলকানি, ফোলা, অস্বস্তি অথবা মলদ্বার দিয়ে মাংসপিণ্ডের মতো অংশ বেরিয়ে আসতে পারে।

সব ধরনের পাইলসের জন্য একই চিকিৎসা প্রয়োজন হয় না। রোগের ধরন, গ্রেড, উপসর্গ এবং রোগীর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করে চিকিৎসক উপযুক্ত চিকিৎসা নির্ধারণ করেন। প্রাথমিক পর্যায়ে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনে উপকার হতে পারে। তবে গুরুতর বা বারবার হওয়া সমস্যায় রাবার ব্যান্ড লাইগেশন, অন্যান্য কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি অথবা সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।

সূচিপত্র

  1. রেক্টাল হেমোরয়েডস বা পাইলস কী?
  2. পাইলসের ধরন
  3. ইন্টারনাল পাইলসের গ্রেড
  4. পাইলস কেন হয়?
  5. পাইলসের লক্ষণ
  6. পাইলস কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
  7. পাইলসের আধুনিক চিকিৎসা
  8. পাইলস প্রতিরোধের উপায়
  9. কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
  10. সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

রেক্টাল হেমোরয়েডস বা পাইলস কী?

Hemorrhoids বা piles হলো মলদ্বারের চারপাশে অথবা মলাশয়ের নিচের অংশে অবস্থিত ফুলে যাওয়া শিরা ও টিস্যু। অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে পাইলসকে প্রধানত ইন্টারনাল পাইলস এবং এক্সটারনাল পাইলস—এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।

অনেকের পাইলস থাকলেও কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে মলত্যাগের সময় রক্তপাত, ব্যথা বা prolapse অর্থাৎ পাইলস বাইরে বেরিয়ে আসার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ: মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত হলেই সেটি পাইলস— এমন ধারণা করা ঠিক নয়। এনাল ফিশার, অন্ত্রের প্রদাহ, পলিপ এবং কোলন বা রেক্টামের অন্যান্য রোগেও রক্তপাত হতে পারে।

পাইলস কত প্রকার?

১. ইন্টারনাল পাইলস বা অভ্যন্তরীণ অর্শ

ইন্টারনাল পাইলস মলদ্বারের ভেতরে এবং মলাশয়ের নিচের অংশে তৈরি হয়। প্রাথমিক অবস্থায় সাধারণত এটি বাইরে থেকে দেখা যায় না। মলত্যাগের সময় ব্যথা ছাড়া উজ্জ্বল লাল রক্তপাত ইন্টারনাল পাইলসের একটি পরিচিত লক্ষণ।

রোগের মাত্রা বাড়লে পাইলস মলদ্বারের বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে। একে prolapsed hemorrhoid বলা হয়। তখন অস্বস্তি, ভেজাভাব, মিউকাস বা শ্লেষ্মা নিঃসরণ এবং পরিষ্কার করতে অসুবিধা হতে পারে।

২. এক্সটারনাল পাইলস বা বাহ্যিক অর্শ

এক্সটারনাল পাইলস মলদ্বারের চারপাশের ত্বকের নিচে তৈরি হয়। এতে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, ফোলা, স্পর্শে ব্যথা অথবা মলদ্বারের পাশে শক্ত ও সংবেদনশীল গুটি দেখা দিতে পারে।

এক্সটারনাল পাইলসের ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে থ্রম্বোসড হেমোরয়েড বলা হয়। এতে হঠাৎ তীব্র ব্যথা, শক্ত গুটি ও ফোলা দেখা দিতে পারে।

ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল পাইলসের পার্থক্য

বিষয় ইন্টারনাল পাইলস এক্সটারনাল পাইলস
অবস্থান মলদ্বার ও মলাশয়ের নিচের অংশের ভেতরে মলদ্বারের চারপাশের ত্বকের নিচে
ব্যথা প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত কম ব্যথা ও স্পর্শকাতরতা বেশি হতে পারে
রক্তপাত মলত্যাগের সময় উজ্জ্বল লাল রক্ত দেখা যেতে পারে আঘাত বা ঘর্ষণ হলে রক্তপাত হতে পারে
গুটি বা ফোলা গ্রেড বাড়লে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে মলদ্বারের পাশে গুটি বা ফোলা দেখা যেতে পারে

ইন্টারনাল পাইলসের গ্রেড

ইন্টারনাল পাইলসকে সাধারণত prolapse বা বাইরে বেরিয়ে আসার মাত্রা অনুযায়ী চারটি গ্রেডে ভাগ করা হয়।

গ্রেড ১

পাইলস মলদ্বারের ভেতরে থাকে এবং বাইরে বের হয় না। মলত্যাগের সময় রক্তপাত হতে পারে।

গ্রেড ২

মলত্যাগের সময় পাইলস বাইরে বের হতে পারে, তবে পরে নিজে থেকেই ভেতরে চলে যায়।

গ্রেড ৩

পাইলস বাইরে বেরিয়ে আসে এবং সাধারণত হাত দিয়ে ভেতরে ঢোকাতে হয়। রক্তপাত ও অস্বস্তি তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

গ্রেড ৪

পাইলস সব সময় বাইরে থাকে এবং সাধারণত হাত দিয়ে ভেতরে ঢোকানো যায় না। এই পর্যায়ে ব্যথা, ফোলা, রক্তপাত বা অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে।

রেক্টাল হেমোরয়েডস বা পাইলস কেন হয়?

মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ এবং মলদ্বার ও মলাশয়ের শিরার ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ পাইলস তৈরির গুরুত্বপূর্ণ কারণ। যেসব বিষয় পাইলসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে:

  • দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগা
  • মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দেওয়া
  • দীর্ঘ সময় টয়লেটে বসে থাকা
  • খাবারে পর্যাপ্ত আঁশ বা ফাইবার না থাকা
  • পর্যাপ্ত পানি পান না করা
  • দীর্ঘদিন ডায়রিয়া থাকা
  • অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
  • গর্ভাবস্থা এবং প্রসবকালীন চাপ
  • নিয়মিত ভারী জিনিস ওঠানো
  • দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা এবং শারীরিক কার্যক্রম কম থাকা
  • বয়স বাড়ার সঙ্গে সহায়ক টিস্যু দুর্বল হয়ে যাওয়া

পাইলসের সাধারণ লক্ষণ কী কী?

রেক্টাল হেমোরয়েডস বা পাইলসের লক্ষণ এর ধরন ও গ্রেড অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:

  • মলত্যাগের সময় বা পরে উজ্জ্বল লাল রক্ত দেখা
  • টয়লেট টিস্যু বা কমোডে রক্ত দেখা
  • মলদ্বারে ব্যথা, চাপ বা অস্বস্তি
  • মলদ্বারের চারপাশে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া
  • মলদ্বারের পাশে ফোলা বা শক্ত গুটি
  • মলত্যাগের সময় মাংসপিণ্ডের মতো অংশ বাইরে আসা
  • মিউকাস বা শ্লেষ্মা নিঃসরণ
  • মলত্যাগ সম্পূর্ণ হয়নি বলে অনুভব করা
  • দীর্ঘ সময় বসে থাকলে ব্যথা বা অস্বস্তি হওয়া

এসব লক্ষণ এনাল ফিশার, ফিস্টুলা, পলিপ, প্রদাহজনিত অন্ত্রের রোগ অথবা কোলন ও রেক্টামের অন্য রোগেও দেখা যেতে পারে। তাই শুধু লক্ষণ দেখে নিজে থেকে পাইলস ধরে নেওয়া উচিত নয়।

পাইলস কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

পাইলস নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসক প্রথমে রোগীর উপসর্গ, মলত্যাগের অভ্যাস, খাদ্যাভ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্যের ইতিহাস এবং রক্তপাত সম্পর্কে জানতে পারেন। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী নিম্নলিখিত পরীক্ষা করা হতে পারে:

  • শারীরিক পরীক্ষা: মলদ্বারের বাইরে ফোলা, গুটি বা অন্য সমস্যা দেখা।
  • ডিজিটাল রেক্টাল পরীক্ষা: গ্লাভস পরা আঙুলের মাধ্যমে মলদ্বার ও রেক্টামের নিচের অংশ পরীক্ষা করা।
  • অ্যানোস্কপি: ছোট যন্ত্র ব্যবহার করে মলদ্বারের ভেতর ও নিচের রেক্টাম দেখা।
  • প্রক্টোস্কপি: প্রয়োজনে রেক্টামের ভেতরের অংশ আরও বিস্তারিত পরীক্ষা করা।
  • কোলনোস্কপি বা সিগময়ডোস্কপি: বয়স, উপসর্গ ও ঝুঁকি অনুযায়ী রক্তপাতের অন্য কারণ খুঁজতে করা হতে পারে।

বিশেষ করে নতুনভাবে রক্তপাত শুরু হলে, বারবার রক্তপাত হলে অথবা মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

পাইলসের আধুনিক চিকিৎসা

পাইলসের চিকিৎসা নির্ভর করে এর ধরন, গ্রেড, রক্তপাতের পরিমাণ, ব্যথা, prolapse এবং আগে নেওয়া চিকিৎসার ফলাফলের ওপর। সব রোগীর অপারেশন প্রয়োজন হয় না।

১. খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন

প্রাথমিক ও মৃদু পাইলসের ক্ষেত্রে চিকিৎসক সাধারণত যেসব পরিবর্তনের পরামর্শ দিতে পারেন:

  • শাকসবজি, ফল, ডাল ও গোটা শস্যের মতো ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত পানি পান করা
  • মলত্যাগের চাপ এলে দেরি না করা
  • মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ না দেওয়া
  • দীর্ঘ সময় টয়লেটে বসে না থাকা
  • নিয়মিত হাঁটা ও শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা
  • উষ্ণ পানিতে sitz bath নেওয়া
  • কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণ করা

২. ওষুধ ও উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ

চিকিৎসক রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী stool softener, fiber supplement, ব্যথা কমানোর ওষুধ অথবা স্থানীয় cream ও suppository ব্যবহারের পরামর্শ দিতে পারেন। নিজে থেকে দীর্ঘদিন steroid cream বা suppository ব্যবহার করা উচিত নয়।

৩. রাবার ব্যান্ড লাইগেশন

রক্তপাত বা prolapse হওয়া নির্দিষ্ট ধরনের ইন্টারনাল পাইলসের ক্ষেত্রে rubber band ligation করা যেতে পারে। এতে পাইলসের গোড়ায় একটি ছোট রাবার ব্যান্ড বসিয়ে রক্ত সরবরাহ বন্ধ করা হয়। পরে পাইলস সংকুচিত হয়ে ঝরে যায়। এটি কেবল প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের মাধ্যমে করাতে হয়।

৪. স্ক্লেরোথেরাপি ও কোয়াগুলেশন

নির্দিষ্ট রোগীর ক্ষেত্রে পাইলস সংকুচিত করার জন্য injection sclerotherapy, infrared coagulation অথবা অন্য office-based procedure ব্যবহার করা হতে পারে।

৫. লেজার পাইলস চিকিৎসা

নির্বাচিত রোগীর ক্ষেত্রে লেজার বা অন্য minimally invasive technique ব্যবহার করে পাইলসের টিস্যু সংকুচিত করা বা রক্ত সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে। প্রচলিত কেটে অপারেশনের তুলনায় কিছু রোগীর ক্ষেত্রে কম রক্তপাত, কম postoperative discomfort এবং দ্রুত দৈনন্দিন কাজে ফেরার সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।

তবে লেজার চিকিৎসা প্রত্যেক রোগীর জন্য উপযুক্ত নয়। পাইলসের গ্রেড, external component, thrombosis, prolapse এবং অন্যান্য রোগ আছে কি না—এসব বিবেচনা করে সার্জন চিকিৎসা নির্বাচন করেন। লেজার চিকিৎসার পরেও ব্যথা, রক্তপাত, ফোলা, সংক্রমণ অথবা রোগ পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনা সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া যায় না।

Primitive Health Care-এর piles treatment সম্পর্কে জানতে পাইলসের আধুনিক ও লেজার চিকিৎসা পেজটি দেখুন।

৬. সার্জিক্যাল হেমোরয়েডেক্টমি

বড় external piles, গুরুতর prolapse, grade 3 বা grade 4 piles অথবা অন্য চিকিৎসায় উপকার না হলে hemorrhoidectomy প্রয়োজন হতে পারে। এতে সমস্যাযুক্ত পাইলসের টিস্যু অপসারণ করা হয়।

৭. স্ট্যাপলড হেমোরয়েড পদ্ধতি

নির্দিষ্ট ধরনের prolapsed internal hemorrhoids-এর ক্ষেত্রে stapling পদ্ধতি বিবেচনা করা হতে পারে। কোন পদ্ধতি উপযুক্ত হবে তা রোগীর পরীক্ষা ও সার্জনের মূল্যায়নের পর নির্ধারণ করতে হয়।

পাইলস প্রতিরোধ এবং পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি কমানোর উপায়

  • প্রতিদিন পর্যাপ্ত ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন
  • পর্যাপ্ত পানি ও তরল পান করুন
  • কোষ্ঠকাঠিন্য দীর্ঘদিন অবহেলা করবেন না
  • মলত্যাগের সময় জোরে চাপ দেওয়া এড়িয়ে চলুন
  • টয়লেটে মোবাইল নিয়ে দীর্ঘ সময় বসে থাকবেন না
  • নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করুন
  • ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
  • সঠিক পদ্ধতি ছাড়া ভারী জিনিস ওঠানো এড়িয়ে চলুন
  • চিকিৎসার পর চিকিৎসকের diet ও follow-up নির্দেশনা মেনে চলুন

কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

নিচের যেকোনো সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:

  • প্রথমবার মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত হলে
  • বারবার বা বেশি পরিমাণে রক্তপাত হলে
  • তীব্র মলদ্বারের ব্যথা ও ফোলা হলে
  • পাইলস বাইরে বেরিয়ে এসে ভেতরে না গেলে
  • কালো বা আলকাতরার মতো মল হলে
  • রক্তপাতের সঙ্গে পেটব্যথা, জ্বর বা ডায়রিয়া হলে
  • অকারণে ওজন কমে গেলে বা দুর্বলতা দেখা দিলে
  • মলত্যাগের অভ্যাস দীর্ঘদিন পরিবর্তিত থাকলে
  • এক সপ্তাহের যত্নের পরেও উপসর্গ না কমলে

জরুরি সতর্কতা: প্রচুর রক্তপাত, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হওয়ার অনুভূতি অথবা অসহ্য ব্যথা হলে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন।

Primitive Health Care-এ পাইলসের পরামর্শ

পাইলসের চিকিৎসার আগে এর ধরন, গ্রেড এবং রক্তপাতের প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা জরুরি। Primitive Health Care-এ রোগীর অবস্থা মূল্যায়ন করে conservative treatment, minimally invasive procedure এবং প্রয়োজন অনুযায়ী surgical treatment সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়।

পাইলসের চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে অথবা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে যোগাযোগ করুন

রেক্টাল হেমোরয়েডস বা পাইলস সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন

পাইলস ও হেমোরয়েডস কি একই রোগ?

হ্যাঁ। Hemorrhoids-এর প্রচলিত নাম piles এবং বাংলায় এটি অর্শ নামে পরিচিত। এতে মলদ্বার বা মলাশয়ের নিচের অংশের শিরা ও সহায়ক টিস্যু ফুলে যায়।

পাইলস হলে কি সব সময় রক্তপাত হয়?

না। অনেক রোগীর রক্তপাত নাও হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে ব্যথা, চুলকানি, ফোলা বা বাইরে গুটি আসা প্রধান লক্ষণ হতে পারে।

ইন্টারনাল পাইলস কি ব্যথা করে?

Prolapse না হওয়া ইন্টারনাল পাইলসে সাধারণত ব্যথা কম থাকে। তবে পাইলস বাইরে বেরিয়ে এলে, ফুলে গেলে বা জটিলতা তৈরি হলে ব্যথা ও অস্বস্তি হতে পারে।

পাইলস কি ওষুধে ভালো হতে পারে?

প্রাথমিক পর্যায়ের পাইলসে খাদ্যাভ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতে পারে। গুরুতর বা prolapsed piles-এর ক্ষেত্রে procedure বা surgery লাগতে পারে।

পাইলস হলে কি অপারেশন করতেই হবে?

না। সব রোগীর অপারেশন প্রয়োজন হয় না। পাইলসের গ্রেড, রক্তপাত, ব্যথা এবং অন্য চিকিৎসার ফলাফল দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

লেজার চিকিৎসা কি সম্পূর্ণ ব্যথাহীন?

কোনো surgical procedure-কে সবার জন্য সম্পূর্ণ ব্যথাহীন বলা যায় না। নির্বাচিত রোগীর ক্ষেত্রে লেজার পদ্ধতিতে postoperative discomfort তুলনামূলক কম হতে পারে, তবে সাময়িক ব্যথা বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

লেজার চিকিৎসার পর কি পাইলস আবার হতে পারে?

চিকিৎসার পরেও পাইলস পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত চাপ এবং কম ফাইবারযুক্ত খাদ্যাভ্যাস বজায় থাকলে ঝুঁকি বাড়তে পারে।

মলদ্বারে রক্তপাত হলে কি সেটি পাইলস?

সব সময় নয়। এনাল ফিশার, অন্ত্রের প্রদাহ, পলিপ এবং কোলন বা রেক্টামের অন্যান্য রোগেও রক্তপাত হতে পারে। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের পরীক্ষা প্রয়োজন।

মেডিক্যাল ডিসক্লেইমার

এই নিবন্ধটি শুধু সাধারণ স্বাস্থ্যশিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি চিকিৎসকের সরাসরি পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। আপনার উপসর্গ থাকলে যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তথ্যসূত্র

← Back to Blogs